শীতের মওসুমে কেমন হবে জীবনধারা?

শীতের মওসুমে কেমন হবে জীবনধারা?

চ্যানেল নিউজ, ঢাকা : বছর শেষের মওসুমটা একেবারে মন ভাল করা। পছন্দসই খাওয়াদাওয়া করা যায়। হজমের কোনও সমস্যা হয় না। অন্যান্য মরশুমের তুলনায় শীতকালে শরীরের শক্তি বাড়ে। পাল্লা দিয়ে বাড়ে খিদে। থেরাপিস্টের মতে, ঠান্ডা পড়ার সঙ্গে সঙ্গেই খাদ্যাভ্যাসে বেশ কিছু পরিবর্তন আনা জরুরি।
দুগ্ধজাত দ্রব্য, মাংস, চাল, গম, গুড়, তিল, তেল, সব রকমের ফল ও সবজি এই সময় ডায়েটে রাখা খুব জরুরি। সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, এই সময় মদ্যপানের পরিমাণ বেড়ে যায়। আয়ুর্বেদ মতে, এই সময়ে কফ দোষ ধীরে ধীরে শরীরে জমা হতে থাকে। এই কফ, জল এবং মাটির উপাদান দিয়ে তৈরি। যা শরীরের ওজন বাড়িয়ে দেয়। কোলেস্টেরল, ফ্যাটি লিভার, হার্ট ব্লকেজ এবং শ্বাসকষ্টের সমস্যা যেমন ব্রঙ্কাইটিস, সাইনোসাইটিস, শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণ ইত্যাদির প্রকোপ বাড়িয়ে দেয়।
কী করবেন?
শীতকালে নিয়মিত ব্যায়াম করা দরকার। এটি সব ধরনের কার্ডিওভাসকুলার সমস্যার জন্য উপকারী। মন ভাল রাখার জন্য যোগব্যায়াম এবং প্রাণায়াম অনুশীলন করা উচিত। খাদ্যতালিকায় পর্যাপ্ত পরিমাণে ফাইবার যোগ করুন। যেমন তাজা ফল, গোটা শস্য এবং সবুজ শাক সবজি। প্রতিদিন সকালে এক কাপ গরম জলে ১/২ চা চামচ শুকনো আদাগুঁড়ো মিশিয়ে নিন। অল্প করে খান। এটি একটি ভাল ডিটক্স ওয়াটার।
রান্নায় হলুদ, আদা, মেথি , এলাচ, জিরে, গোলমরিচ, দারচিনি, লবঙ্গ, রসুন বেশি করে ব্যবহার করুন। এই সব মশলা শ্বাসযন্ত্র, কার্ডিওভাসকুলার এবং পাচনতন্ত্র সুরক্ষিত রাখতে সাহায্য করে।
ত্বকের যত্ন তিলের তেল দিয়ে বডি মাসাজ করুন। এটি শরীর গরম রাখতে সাহায্য করে, রক্তসঞ্চালন যথাযথ রাখতে সাহায্য করে। রাসায়নিক যুক্ত প্রসাধনীর বদলে বাড়িতেই বানিয়ে নিন ময়েশ্চারাইজার। নারকেল তেল, রোজ অয়েল আর শিয়া বাটার বাল করে মিশিয়ে একটি কৌটোয় সংরক্ষণ করুন। প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবহার করুন সারা শীতে।
এড়িয়ে চলুন:
অতিরিক্ত পরিমাণে ভাজা খাবার, নুন, চিনি, সাদা তেল, ময়দা এবং বিশেষ করে মদ্যপান।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করতে ক্লিক করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

themesbazartvsite-01713478536