নবাবগঞ্জে ভাষা শহীদদের স্মরণে সবরকম প্রস্তুতি সম্পন্ন

নবাবগঞ্জে ভাষা শহীদদের স্মরণে সবরকম প্রস্তুতি সম্পন্ন

Exif_JPEG_420

মোঃ জুলহাজুল কবীর নবাবগঞ্জ,দিনাজপুর। দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আনিসুর রহমান বলেছেন,রাত পোহালেই একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। ইতিমধ্যেই উপজেলা প্রশাসনের সকল প্রস্তুতি প্রায় শেষ । ভাষা শহীদদের শ্রদ্ধা জানাতে প্রস্তুত উপজেলাবাসী।  মাতৃভাষা বাংলার মর্যাদা সমুন্নত রাখতে ভাষা শহীদদের সর্বোচ্চ আত্মত্যাগকে স্মরণ করে বুধবার অমর একুশে, ভাষা শহীদ দিবস এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করবে উপজেলাবাসী। বুধবার প্রথম প্রহরে নবাবগঞ্জ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন, জাতীয় সংসদ সদস্য-১১,দিনাজপুর-৬ আসনের সংসদ সদস্য  মোঃ শিবলী সাদিক এমপি।
তাপরই পর্যায়ক্রমে উপজেলা প্রশাসন,বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ সর্বস্তরের মানুষ ফুলে ফুলে শ্রদ্ধা আর কৃতজ্ঞতায় ফুল দিয়ে ভরিয়ে দিবে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার। লগ্ন পায়ে হৃদয়ে রক্তক্ষরণ নিয়ে বাঙালি জাতি মহান ভাষা শহীদদের প্রতি অবনত মস্তকে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন। একুশে ফেব্রুয়ারি উপলক্ষ্যে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকার দেয়ালে দেয়ালে শোভা পাচ্ছে, ভাষা নিয়ে নানা কবিতার অংশ, স্লোগান এবং উক্তি। শহীদ মিনারের চারিদিক ঘিরে নিরাপত্তা বেষ্টনী। বিভিন্ন বাহারি ফুল হাতে নিয়ে  অনেকেই ছুটে আসবেন শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানাতে ।
দাউদপুর ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ বেলাল হোসেন জানালেন, রক্তের বিনিময়ে অর্জিত ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধার বিষয় মাথায় রেখে দাউদপুর ডিগ্রী কলেজ প্রাঙ্গন শহীদ মিনার বিভিন্নভাবে সাজানোর কাজ শেষ পর্যায়ে।  ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন পাকিস্তান সরকার বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি না দিয়ে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা উর্দুকে মাতৃভাষা হিসাবে চাপিয়ে দেওয়ার প্রতিবাদে ঢাকার ছাত্র ও সাধারণ জনগণ রাস্তায় নেমে এসেছিল। পাকিস্তানের বর্বর শাসকের নির্দেশনায় পাক বাহিনীর নির্বিচারে চালানো গুলিতে বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিতে হয়েছিল বাংলা ভাষায় কথা বলা অনেককেই।
বাংলাদেশের প্রথম সারির জাতীয় ইংরেজী দৈনিক ডেইলী ইন্ডাস্ট্রী পত্রিকার নবাবগঞ্জ উপজেলা প্রতিনিধি কোঃ জুলহাজুল কবীর  ভাষা শহীদদের স্মরণ করে বললেন,১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কো স্বীকৃতি দেওয়ায় একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে বিশ্বজুড়ে পালিত হয়। ১৯৫২ সালের মাতৃভাষার অধিকার আদায়ে সাহসের সাথে মাতৃভাষার জন্য  প্রাণ উৎসর্গ করেছিলেন, বরকত, সালাম, রফিকসহ আরও অনেকে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করতে ক্লিক করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

themesbazartvsite-01713478536